বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
অর্থ পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) অর্থ পাচারের মামলায় রাজধানীর সেগুনবাগিচার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যালয়ে এ নোবেলবিজয়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কর্মকর্তারা। এরপর তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।
দুদক কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের ড. ইউনুস বলেন, ‘আমি অপরাধ করিনি। তাই শংকিত নই।’
গত ২৭ সেপ্টেম্বর অর্থ পাচারের মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূসসহ ১৩ আসামিকে তলব করে দুদক। মামলার তদন্ত কাজের অংশ হিসেবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে নোটিস দেয়া হয়। নোটিস অনুসারে গতকাল বুধবার গ্রামীণ টেলিকমের ৩ পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
ইউনূসের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক’ বলে দাবি করেছেন তার কৌঁসুলি আবদুল্লাহ আল মামুন।
দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘দুদকে উনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ হচ্ছে, গ্রামীণ টেলিকমের ১০৬ জন কর্মচারী লেবার কোর্টে মামলা করেছিল কেন তাদের নিট মুনাফার ৫ শতাংশ দেয়া হবে না, এ নিয়ে ট্রেড ইউনিয়নেও মামলা হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলা মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক অভিযোগের ভিত্তিতে করা।’
তবে দুদক বলছে, এটি কোনো হয়রানিমূলক মামলা নয়। কমিশনের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ড. ইউনূসকে হয়রানির অভিযোগ সঠিক নয়। গ্রামীণ টেলিকমের কর্মকর্তারা কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরে যে অভিযোগ করেছিল সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক মামলা দায়ের করেছে। ড. ইউনূস সম্পৃক্ত আছেন কিনা এ নিয়ে আজকের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেলে বোঝা যাবে তিনি অপরাধটি করেছেন কিনা।
দুদক আইন ও বিধি অনুযায়ী কাজ করে, এখানে ব্যক্তি পর্যায় থেকে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য দুদক সচিবের।
আজ সকাল সাড়ে ৯টার পর দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হন ড. ইউনূস। সংস্থাটির একটি দল ১০টা ৩৭ থেকে ১০টা ৫৮ মিনিট পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।